রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬ ।। ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
সেবায় ঘাটতি, ২১ ওমরাহ কোম্পানির কার্যক্রম স্থগিত করল সৌদি ফজরের নামাজ চলাকালে মসজিদে ঢুকে গুলি, আহত ২ রাশিয়ায় ধরপাকড়ের মুখে আলেমরা, বাড়ছে ইসলাম বিদ্বেষ মৌলভীবাজার সীমান্তে বিজিবির গুলিতে ভারতীয় চোরাকারবারী আহত ভারতের সীমান্ত হত্যা ও পুশইন নীতি গভীর উদ্বেগজনক’ নারায়ণগঞ্জে পুলিশ-মাদক ব্যবসায়ীর গোলাগুলি, ৫ পুলিশসহ আহত ৮ শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে গুম-নির্যাতন মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ আজ প্রাথমিকে সংগীত-নৃত্যকলাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ বাতিল চায় জমিয়ত নোয়াখালীতে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২ ভাইয়ের মৃত্যু, আহত ১ আমাকে হারাতে শত শত কোটি ব্যয় করা হয়েছে: শায়খে চরমোনাই

স্বামীর লাশ সামনে হাসপাতালে শাবানার ঈদ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : ঈদের দিন সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিলাপ করছিলেন শাবানা, সামনে স্বামী রনি মিয়ার লাশ।

শুক্রবার রাত ৯টার দিকে ময়মনসিংহের ত্রিশালে মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন বিদ্যুৎ মিস্ত্রি রনি। রাতেই তাকে ঢাকা মেডিকেলে আনা হয়, শনিবার সকাল সোয়া ১০টায় তার মৃত্যু ঘটে।

ঈদ এলেও রনির মৃত্যুতে তার পরিবারের আর আনন্দ নেই। ময়মনসিংহের দেওয়ানগঞ্জের বেলতলীতে তাদের বাসার সবাই এখন বেদনায় ভারাক্রান্ত।

রনির সঙ্গে মোটর সাইকেলে থাকা তার মেয়ে শ্রাবণীও আহত হন। তবে তার আঘাত গুরুতর নয়।

সপ্তম শ্রেণিতে পডুয়া শ্রাবণীর জন্য জুতা কিনতে বেরিয়ে রনি এই দুর্ঘটনায় পড়েন বলে তার শ্যালক সজিব জানান।

তিনি বলেন, শ্রাবণীর ওড়না মোটর সাইকেলের চাকায় পেঁচিয়ে গেলে মোটর সাইকেল রাস্তার পাশের দেয়ালে জোরে ধাক্কা খায়। তাতে রনি গুরুতর আহত হন।

হাসপাতালে ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের বারান্দায় রনির স্ত্রী শাবানার বিলাপে পুরো এলাকা ভারী হয়ে যায়।
রনির বাবা বাচ্চু শেখ ছিলেন বাকশূন্য। তিনি বলেন, “আমাদের সবার ঈদ মাটি হয়ে গেল।”

এদিকে জামালপুরের মেলান্দহের ধৌরমুট গ্রামের কলেজে পড়ুয়া কাউসার আহমেদ বৃদ্ধ বাবা আবু তাহেরকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রয়েছেন গত ১০ জুন থেকে। স্ট্রোকের পর বাবাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন তিনি।

ঈদের দিন সকালে কিছু না খেলেও বোন রোজিনা আক্তার বিন্দুকে নিয়ে পাশেই রয়েছেন কাউসার।

ভাই-বোন হাসিমুখে বলেন, ঈদ তাদের ‘মাটি’ হয়নি। বাবার পাশে আছেন, এটাই তাদের সুখ।
ঈদের সকালে চিকিৎসক এসেছিলেন কি না- জানতে চাইলে বিন্দু বলেন, “সকালে একজন ডাক্তার দেখে গেছেন বাবাকে।”

ঈদের সকালে ঢাকা মেডিকেলের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে অন্য সময়ের চেয়ে রোগী কম দেখা যায়। অন্য সময় লিফটের সামনে ভিড় থাকলেও এখন কেউ নেই।

একজন সেবিকা বলেন, “ঈদে খুব জরুরি না হলে কেউ হাসপাতালে থাকতে চায় না। তবে আগামীকাল থেকেই রোগী বেড়ে যাবে।”

স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো শহরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, আর্ট স্কুল পুড়ে ছাই

এসএস


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ