রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

যেখানে হিন্দুরাও নিয়মিত রোজা রাখেন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম: ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণা জেলার বারাসতে হিন্দু-মুসলমানের অপূর্ব সৌহার্দ্য অনেকেরই জানা।

শহরের কাছেই ছোট একটি মসজিদ। হাতেগোনা কয়েকজন মুসলমান এখানে নামাজ আদায় করতে আসলেও এটি মূলত ‘বোস বাড়ির মসজিদ’ হিসেবে পরিচিত।

বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বোস পরিবার পালিয়ে আশ্রয় নেন ভারতে। যেখানে তারা আশ্রয় নিয়েছিলেন, সেই জমিতে জীর্ণ অবস্থা থেকে একটি মসজিদকে রক্ষা করেছেন এই হিন্দু পরিবারের সদস্যরা। সেই থেকে গত অর্ধশতক ধরে বোস পরিবারই মসজিদটি দেখাশোনা করছে। শুধু তাই নয়, পবিত্র রমজান মাসে নিয়মিত রোজাও থাকেন এই বোস পরিবার।

বর্তমানে পার্থ সারথি বোস মসজিদটির দেখাশোনা করছেন। মসজিদটির প্রতি তার এতো টান যে তার বন্ধুবান্ধব মজা করে তাকে ডেকে থাকেন মুহাম্মদ পার্থসারথি বসু নামে। কিন্তু এসব মজা গায়ে মাখেন না পার্থ।

তিনি রমজান মাসে সব মুসলমানদের সাথে একসাথে বসে ইফতার করেন। আর শুধু বোস পরিবারই নয়, এই মসজিদটির জন্য অন্যান্য হিন্দু পরিবারগুলোও নানারকম সহায়তায় এগিয়ে আসেন।

বারাসতে পশ্চিম ইছাপুরের নবপল্লীতে ২০ থেকে ২৫ বিঘা জমি জুড়ে বোস বাড়ি। বাড়ির প্রধান দীপক বসুর বয়স ৬৭ বছর। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় খুলনার এই বসু পরিবার নির্যাতনের শিকার হয়ে পালিয়ে বারাসতে চলে আসেন।

আরো পড়ুন- মুসলমান হওয়ায় বাব-মার নির্মম নির্যাতন


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ