রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬ ।। ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
সেবায় ঘাটতি, ২১ ওমরাহ কোম্পানির কার্যক্রম স্থগিত করল সৌদি ফজরের নামাজ চলাকালে মসজিদে ঢুকে গুলি, আহত ২ রাশিয়ায় ধরপাকড়ের মুখে আলেমরা, বাড়ছে ইসলাম বিদ্বেষ মৌলভীবাজার সীমান্তে বিজিবির গুলিতে ভারতীয় চোরাকারবারী আহত ভারতের সীমান্ত হত্যা ও পুশইন নীতি গভীর উদ্বেগজনক’ নারায়ণগঞ্জে পুলিশ-মাদক ব্যবসায়ীর গোলাগুলি, ৫ পুলিশসহ আহত ৮ শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে গুম-নির্যাতন মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ আজ প্রাথমিকে সংগীত-নৃত্যকলাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ বাতিল চায় জমিয়ত নোয়াখালীতে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২ ভাইয়ের মৃত্যু, আহত ১ আমাকে হারাতে শত শত কোটি ব্যয় করা হয়েছে: শায়খে চরমোনাই

যেখানে হিন্দুরাও নিয়মিত রোজা রাখেন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম: ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণা জেলার বারাসতে হিন্দু-মুসলমানের অপূর্ব সৌহার্দ্য অনেকেরই জানা।

শহরের কাছেই ছোট একটি মসজিদ। হাতেগোনা কয়েকজন মুসলমান এখানে নামাজ আদায় করতে আসলেও এটি মূলত ‘বোস বাড়ির মসজিদ’ হিসেবে পরিচিত।

বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বোস পরিবার পালিয়ে আশ্রয় নেন ভারতে। যেখানে তারা আশ্রয় নিয়েছিলেন, সেই জমিতে জীর্ণ অবস্থা থেকে একটি মসজিদকে রক্ষা করেছেন এই হিন্দু পরিবারের সদস্যরা। সেই থেকে গত অর্ধশতক ধরে বোস পরিবারই মসজিদটি দেখাশোনা করছে। শুধু তাই নয়, পবিত্র রমজান মাসে নিয়মিত রোজাও থাকেন এই বোস পরিবার।

বর্তমানে পার্থ সারথি বোস মসজিদটির দেখাশোনা করছেন। মসজিদটির প্রতি তার এতো টান যে তার বন্ধুবান্ধব মজা করে তাকে ডেকে থাকেন মুহাম্মদ পার্থসারথি বসু নামে। কিন্তু এসব মজা গায়ে মাখেন না পার্থ।

তিনি রমজান মাসে সব মুসলমানদের সাথে একসাথে বসে ইফতার করেন। আর শুধু বোস পরিবারই নয়, এই মসজিদটির জন্য অন্যান্য হিন্দু পরিবারগুলোও নানারকম সহায়তায় এগিয়ে আসেন।

বারাসতে পশ্চিম ইছাপুরের নবপল্লীতে ২০ থেকে ২৫ বিঘা জমি জুড়ে বোস বাড়ি। বাড়ির প্রধান দীপক বসুর বয়স ৬৭ বছর। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় খুলনার এই বসু পরিবার নির্যাতনের শিকার হয়ে পালিয়ে বারাসতে চলে আসেন।

আরো পড়ুন- মুসলমান হওয়ায় বাব-মার নির্মম নির্যাতন


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ