রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৪ মাঘ ১৪৩২ ।। ২৯ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঢাকা-১১ আসনে এনসিপির প্রার্থী নাহিদ ইসলামকে শোকজ ইন্দোনেশিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহতের আশঙ্কা সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সংহতি প্রকাশ শায়খে চরমোনাইয়ের আসনে প্রার্থী না দেওয়ার ঘোষণা জামায়াতের ‘তাঁর বাংলা ভাষাজ্ঞান ছিল ঈর্ষণীয়, মেধায় ছিলেন তুখোড়’ ভারতে খালি বাড়িতে নামাজ পড়ার অভিযোগে আটক ১২ শায়খ আহমাদুল্লাহর সঙ্গে ছবি তোলায় শোকজ, প্রতিবাদ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের দ্বৈত নাগরিকত্ব ও ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না : আখতার হোসেন নূরানী বোর্ডের কেন্দ্রীয় সনদ পরীক্ষার মেধাবীদের পুরস্কার বিতরণ শুরু জোটের স্বার্থে মনোনয়ন প্রত্যাহার জমিয়ত নেতা ড. শোয়াইব আহমদের

এদেশে জাতিসংঘের আঞ্চলিক অফিস কেন, জিজ্ঞাসা আজহারীর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বাংলাদেশে জাতিসংঘের মানবাধিকার মিশন আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে। তিন বছর মেয়াদি এই মিশন চালুর জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। এ বিষয়ে ইসলামি দলগুলো প্রতিবাদ ও উদ্বেগ জানিয়ে আসছে। এবার মুখ খুললেন জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারী।

শনিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের ভেরিফায়েড পেজে তিনি একটি পোস্ট করেন।

পোস্টে তিনি লিখেন, এদেশে জাতিসংঘের আঞ্চলিক অফিস কেন? তিনি উল্লেখ করেন, যেসব দেশে তাদের আঞ্চলিক দপ্তর রয়েছে, সেসব দেশের জনগণ কি সেখানে শান্তিতে আছেন?

তিনি আরও উল্লেখ করেন, শান্তি আর মানবাধিকার রক্ষায় আমরা নিজেরা পারস্পরিক বোঝাপড়া মজবুত না করলে, তারা এখানে কি করতে পারবে?

এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের এক সংবাদ বিবৃতিতে বলা হয়, মানবাধিকার সুরক্ষা ও প্রসারের লক্ষ্যে বাংলাদেশে কাজ শুরু করতে যাচ্ছে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার কার্যালয়ের (ওএইচসিএইচআর) মিশন।

প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদারের পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘের ওএইচসিএইচআর-এর মধ্যে একটি তিন বছর মেয়াদি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এই সমঝোতার আওতায় বাংলাদেশে একটি মিশন কাজ করবে, যার মূল উদ্দেশ্য হবে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলোকে প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ঘটে যাওয়া গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের পরিপ্রেক্ষিতে জবাবদিহিতা ও সংস্কারের ধারাবাহিক অঙ্গীকার হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মিশনটি গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধ এবং পূর্ববর্তী সরকারের অধীনে সংঘটিত অপরাধসমূহের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়েই কেন্দ্রীভূত থাকবে।

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ