মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৬ মাঘ ১৪৩২ ।। ১ শাবান ১৪৪৭

শিরোনাম :
শায়খে চরমোনাইয়ের এক আসনে প্রার্থী প্রত্যাহার জামায়াতের পবিত্র রমজানের সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ স্পেনে দ্রুতগতির ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রধান উপদেষ্টার শোক যাদের ৩ ভোটও নেই, তারা হুমকি দিচ্ছেন নির্বাচন হতে দেব না : মির্জা ফখরুল  শাকসু নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক: ইসলামী ছাত্র আন্দোলন আমিরসহ জামায়াতের শীর্ষ ৭ নেতাকে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ ইসির ‘র‍্যাবের ওপর হামলাকারীরা যত শক্তিশালী হোক, আইনের আওতায় আনা হবে’ জুলাই সনদে ‘বিসমিল্লাহ’ উল্লেখ না থাকার কারণ জানালেন ধর্ম উপদেষ্টা ভোটের মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন হাফেজ নেছার আহমাদ আন-নাছিরী হাসনাতের আসনে সরে দাঁড়ালেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী

‘তখন কথাই ছিল ১০টা হুন্ডা, ২০টা গুণ্ডা, নির্বাচন ঠাণ্ডা’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: যারা ১৫ ফেব্রুয়ারির মতো নির্বাচন করে তাদের মুখে গণতন্ত্রের কথা মানায় না বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপির আমলে ভয়ে ঘরে থাকতে পারেননি আওয়ামী লীগ নেতারা।

আজ শনিবার ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সারাদেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল বিএনপি-জামায়াত জোট জানিয়ে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার নির্দেশে সারাদেশে আওয়ামী লীগ নেতাদের ওপর অত্যাচার করা হয়। বাংলাদেশ যেন উঠে দাঁড়াতে না পারে, সে চেষ্টা করেছিল বিএনপি।

তিনি বলেন, দুঃসময়ে নেতা কর্মীদের ত্যাগের কারণেই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে। ওয়ান ইলেভেনের সময় ২৫ লাখ গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে তাকে জেল থেকে বের করতে যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছিলো সেজন্য ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সম্মেলনে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। জানান, আওয়ামী লীগ সরকার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে যে অভিযান তা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যখন বিএনপি নেতারা নির্বাচন নিয়ে কথা বলে, বা নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন তোলে- তাদের আমি এটাই মনে করিয়ে দিতে চাই যে তাদের নেতা জিয়াউর রহমানের হ্যাঁ, না ভোট এবং তার যে নির্বাচন অথবা ৮১ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।

কেমন নির্বাচন তারা করেছিল? সেখানে কোথায় ভোটার, কোথায় নির্বাচন। জনগণ তো স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেনি। তখন কথাই ছিল ১০টা হুন্ডা, ২০টা গুন্ডা নির্বাচন ঠাণ্ডা। ঠিক তারই পদাঙ্ক অনুসরণ করেছিল জেনারেল এরশাদ।

তিনি আরও বলেন, সেই অবস্থা আমরা পরে আবার দেখি ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে। খালেদা জিয়াও সেই একই পদাঙ্ক অনুসরণ করে।

কাজেই ১৫ ফ্রেব্রুয়ারির নির্বাচন ৯৬ সালে যারা করেছিল, তাদের অন্তত নির্বাচন নিয়ে কোনো প্রশ্ন করা শোভা পায় না।

এর আগে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে সম্মেলন শুরু হয়। পরে বেলা ১১টার দিকে শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় ঢাকা ও ঢাকার আশপাশে থেকে আসা নেতাকর্মীদের পদচারণায় ও স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হ‌য়ে ওঠে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ