আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবেক নৌমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, ইঞ্জিন রুমের ত্রুটি থেকে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। তবে এখনও বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে লঞ্চ কর্তৃপক্ষের গাফিলতি প্রমাণ হলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে ঝালকাঠি লঞ্চঘাটে পুড়ে যাওয়া লঞ্চটি পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
এর আগে সাবেক এ নৌমন্ত্রী লঞ্চের ইঞ্জিন রুমসহ বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন।
এদিকে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ও দুর্ঘটনার ব্যাপারে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কিমিটির আহ্বায়ক তোফায়েল আহমেদও পোড়া লঞ্চটি পরিদর্শনে আসেন। তিনিও ঘটনাস্থল ও লঞ্চের বিভিন্ন জায়গা পরিদর্শন করেন। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে হবে জানালেও তিনি এখন পর্যন্ত দুর্ঘটনার কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ নিয়ে মন্তব্য করেননি। তবে লঞ্চ কর্তৃপক্ষের গাফিলতি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে যুগ্ম সচিব তোফায়েল বলেন, লঞ্চের চালকসহ কর্মচারীদের এখনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। লঞ্চের মালিকেরও মোবাইল নম্বর বন্ধ বয়েছে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে যাত্রীবাহী লঞ্চ ‘এমভি অভিযান-১০’ এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। লঞ্চটি রাত ৩টার দিকে ঝালকাঠি টার্মিনালের কাছাকাছি পৌঁছালে ইঞ্জিনরুমে লাগা আগুন মুহূর্তেই পুরো লঞ্চে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঝালকাঠির ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এতে দগ্ধ হয়েছেন বহু মানুষ। তাদের মধ্যে এখনো অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
-এএ